ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে ডিজিটাল হাজিরা দেওয়ার মেশিন'
স্থাপন করা হয়েছে। বুধবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম শেখ হাফিজুর রহমান এ
'ডিজিটাল অ্যাটেনডেন্স এর কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।
এসময় তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণের স্বপ্নের
সঙ্গে অংশীদার হতে পেরে আমরা গর্বিত। আমরা আশা করছি, ডিজিটাল হাজিরা
পদ্ধতির মাধ্যমে সকলেই সঠিক সময়ে আদালতে আগমন ও প্রস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব
হবে এবং বিচারপ্রার্থী জনগণ সর্বোচ্চ সেবা পাবে।
Showing posts with label politics. Show all posts
Showing posts with label politics. Show all posts
Wednesday, February 1, 2017
এবার সানির বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের মামলা
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
বাংলাদেশ
জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী
নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpufv
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpufv
বাংলাদেশ
জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী
নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বাংলাদেশ
জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী
নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের
বাংলাদেশ
জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী
নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.d
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.d
বাংলাদেশ
জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী
নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বাংলাদেশ
জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী
নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpufsdlfhkf
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpufsdlfhkf
বাংলাদেশ
জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী
নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বাংলাদেশ
জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী
নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpufv
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpufv
বাংলাদেশ
জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী
নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বাংলাদেশ
জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী
নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বাংলাদেশ
জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী
নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বাংলাদেশ
জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী
নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বাংলাদেশ
জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী
নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বাংলাদেশ
জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী
নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বাংলাদেশ
জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী
নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বাংলাদেশ
জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী
নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
Tuesday, January 17, 2017
সেদিন তারেক সাঈদের পা ধরেছি, সে আমাকে লাথি মেরে ফেলে দিয়েছে
নারায়ণগঞ্জে সাত জনকে অপহরণের পরই স্বজনরা র্যাবের সম্পৃক্ততার অভিযোগ করেছিলেন। তাদেরকে উদ্ধারে বাহিনীটির স্থানীয় কার্যালয়ে ছুটেও গিয়েছিলেন তারা।
কিন্তু র্যাব-১১ এর সে সময়ের অধিনায়ক তারেক সাঈদ মোহাম্মদ তাদেরকে ফিরিয়ে দেন। বলেন, এই ঘটনাটি তারা নয়, ঘটিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের আলোচিত নেতা শামীম ওসমান।
২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা থেকে গাড়িতে করে তুলে নেয়া হয় সিটি করপোরেশনের ২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, তার বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম লিটন,
নজরুলের গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম, আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার এবং তার ব্যক্তিগত গাড়িচালক ইব্রাহিমকে।
আড়াই বছরেরও বেশি সময় পর সোমবার সকালে নারায়ণগঞ্জের একটি আদালতে রায় ঘোষণা হয়।
বিচারক যে ২৬ জনকে ফাঁসির দণ্ড দিয়েছে তাদের ১৭ জনই র্যাব সদস্য। আবার কারাদণ্ড পাওয়া নয় জনের সাত জনও এই বাহিনীটির সাবেক কর্মকর্তা।
এই রায়ের পর নিহত কাউন্সিলর নজরুলের শ্বশুর শহীদ কমিশনার আড়াই বছরেরও বেশি সময় আগে অপহরণের সেই দিনের স্মৃতিচারণ করেন।
জানান, র্যাব-১১ এর সে সময়ের কমান্ডার কীভাবে এই ঘটনাটিতে নিজেদেরকে বাঁচাতে স্থানীয় সংসদ সদস্যকে ফাঁসাতে চেয়েছিলেন।
নজরুলের শ্বশুর বলেন, ‘আমরা আগে থেকেই জানতাম র্যাব ধরে নিয়ে গেছে। আমরা র্যাবের অফিসে গিয়ে তারেক সাঈদের পা ধরে কান্নাকাটি করেছি।
তখন তারেক সাঈদ আমাকে লাথি মেরে ফেলে দিয়েছে। বলেছে, শামীম ওসমানের সঙ্গে দ্বন্দ্বের কারণে শামীম ওসমান এদেরকে মেরে ফেলেছে।’
এই হত্যায় প্রধান আসামি নুর হোসেন নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের ডান হাত বলেই পরিচিত ছিলেন।
এই হত্যার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই দুই জনের একটি টেলিফোন আলাপে প্রকাশ হয়। নুর হোসেন শামীম ওসমানের মোবাইল ফোনে কল করে বলেছিলেন, তিনি এই হত্যায় জড়িত নন। তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
পরে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হয় যে, নুর হোসেনকে শামীম ওসমানই ভারতে চলে যাওয়ার পথ বাতলে দেন। শামীম ওসমান পরে ২০১৪ সালের ১৪ মে সংবাদ সম্মেলন করে বলেন, এই অভিযোগ সত্য নয়।
তাকে নূর হোসেন ফোন করেছিলেন-এটা সত্য, কিন্তু তিনি তাকে বলেছিলেন আত্মসমর্পণ করতে। তিনি বলেন, নূর হোসেনের সঙ্গে তার কথোপকথনের পুরোটা পত্রিকায় ছাপা হয়নি। তিনি বলেন, ‘কিছু কাটা আছে, পুরো ব্যাপারটা সাজানো। আংশিক ছাপা হয়েছে, আংশিক হয়নি। কিংবা এডিটিং করেছে।’
ওই সংবাদ সম্মেলনেই শামীম ওসমান অভিযোগ করেন, ঘটনাটি র্যাবই ঘটিয়েছে। জানান, ২৭ এপ্রিল অপহরণের পর তিনি র্যাবের সঙ্গে কথা বলেছেন।
র্যাব তাকে আশ্বাস দিয়েছিল অপহৃত সাত জনকেই ফিরিয়ে দেয়া হবে।
নূর হোসেনের সঙ্গে তার কথোপকথনের টেপ প্রকাশ কারা করেছে-ওই সংবাদ সম্মেলনে সে প্রশ্নও তুলেছিলেন শামীম ওসমান।
Monday, January 16, 2017
ফাঁসির দণ্ড পাওয়ার পর আইনজীবীকে যা বললেন নূর হোসেন
প্রায় তিন বছর পর নারায়ণগঞ্জের আলোচিত ৭ খুনের মামলায় ২৬ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলার বাকি আসামিদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
তবে রায়ে বাদিপক্ষ সন্তোষ প্রকাশ করলেও ন্যায়বিচার পাননি বলে দাবি করেছেন মামলার প্রধান আসামি সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি ও ওয়ার্ড কাউন্সিলর নূর হোসেন।
সোমবার সকালে রায় ঘোষণার পর দুপুরে আদালত চত্বরে সাংবাদিকদের নূর হোসেনের এ প্রতিক্রিয়ার কথা জানান তার আইনজীবী এম এ রশীদ ভূঁইয়া।
আইনজীবী জানান, নূর হোসেন বলেছেন, আদালত দেশের পরিবেশ-পরিস্থিতি অনুযায়ী এ রায় দিয়েছেন। তাতে তিনি ন্যায়বিচার থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। তাই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন নূর হোসেন। সেখান থেকে খালাস পাবেন বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
এর আগে সকালে এ দুই মামলায় রায় ঘোষণা করেন নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক সৈয়দ এনায়েত হোসেন। রায়ে চার্জশিটভুক্ত আসামিদের মধ্যে সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর নূর হোসেন, র্যাবের সাবেক কর্মকর্তা তারেক সাঈদসহ ২৬ আসামির ফাঁসির রায় দিয়েছেন আদালত।
এছাড়া বাকি আসামির মধ্যে ৩ জনকে ১৭ বছর ও ৫ জনকে ১০ বছর করে কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। রায় ঘোষণার সময় মামলার ৩৫ আসামির মধ্যে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা ২৩ জন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ১৭ জন র্যাবের সাবেক সদস্য। মামলার শুরু থেকেই র্যাবের সাবেক ৮ সদস্যসহ ১২ আসামি পলাতক।
বিশ্ব সংবাদ শীর্ষ আট ধনীর সম্পদ ৩৬০ কোটি মানুষের চেয়ে বেশি!
বিশ্বের
সবচেয়ে ধনী আট জন ব্যক্তির হাতে যতো সম্পদ আছে সেই সম্পদের পরিমাণ
দুনিয়ার অর্ধেক মানুষের (৩৬০ কোটি) সম্পদের সমান। আন্তর্জাতিক এক দাতব্য
সংস্থা অক্সফামের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এই তথ্য।
সংস্থাটি
এ সংক্রান্ত যেসব তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেখা যাচ্ছে, ধনী ও দরিদ্রের
মধ্যে ব্যবধান ক্রমশই বাড়ছে। এবং এই ব্যবধান যতো হতে পারে বলে আশঙ্কা করা
হয়েছিলো আসলে তার চাইতেও অনেক বেশি। সবচেয়ে ধনী এই আট জনের মধ্যে রয়েছেন
বিল গেটস, মার্ক জাকারবার্গ এবং ওয়ারেন বাফেট।
অক্সফাম
বলছে, এই আট জনের হাতে যতো সম্পদ রয়েছে তার পরিমাণ বিশ্বের ৩৬০ কোটি
দরিদ্র মানুষের সম্পদের সমান। তবে অনেকেই অক্সফামের এই তথ্য নিয়ে প্রশ্ন
তুলেছেন। তারা বলছেন, প্রতি বছর অক্সফ্যাম সম্পদের যে পরিসংখ্যান তুলে ধরছে
সেটা ঠিক আছে, কিন্তু সংস্থাটি এর যে ব্যাখ্যা দিচ্ছে সেটি ঠিক নয়।
গবেষণা
প্রতিষ্ঠান ইন্সটিটিউট অফ ইকোনমিক অ্যাফেয়ার্সের একজন গবেষক মার্ক লিটলউড
বলেছেন, অক্সফামের উচিত প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর উপায়ের দিকে জোর দেওয়া।
অক্সফামের প্রতিবেদনটি এমন এক সময়ে প্রকাশ করা হলো যখন সুইজারল্যান্ডে
শুরু হয়েছে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের সম্মেলন। এই সম্মেলনে বিশ্বের
প্রভাবশালী রাজনীতিক ও ব্যবসায়ীরা অংশ নিচ্ছেন।
অক্সফামের
একজন কর্মকর্তা ক্যাটি রাইট বলেছেন, এটা নিয়ে কোন সন্দেহ নেই যে ডাভোস
সম্মেলন শুধু ধনী লোকেদের কথার ফুলঝুরির সম্মেলন হয়ে দাঁড়িয়েছে। অক্সফাম
বলছে, ধনী ও দরিদ্রদের মধ্যে বৈষম্য বেড়ে যাওয়ার কারণে জনরোষ বাড়ছে। এর
ফলে বড় ধরনের রাজনৈতিক আলোড়নও হতে পারে।
অক্সফামের
ক্যাটি রাইট বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল এবং
ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের বেরিয়ে যাওয়ার পক্ষে ভোটও তার একটি
ফল। তিনি বলেন, লোকজন ক্ষুব্ধ হয়ে উঠছে। এবং তারা বিকল্প কিছুর দাবি
জানাচ্ছে। কারণ কঠোর পরিশ্রমের পরেও তারা পিছিয়েই থাকছে। বিবিসি।
সব লাশের মুখ ছিল ডাবল পলিথিনে মোড়ানো
মামলার নথি, চার্জশিট, জবানবন্দি ও সুরতহাল রিপোর্ট সূত্রে জানা যায়, নাসিক কাউন্সিলর নজরুল ইসলামকে অপহরণের দিনক্ষণ আগে থেকেই ঠিক করা ছিল। ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল সিদ্ধিরগঞ্জ থানার একটি চাঁদাবাজির মামলায় স্থায়ী জামিন নিতে নজরুল ইসলাম নারায়ণগঞ্জ আদালতে আসবেন। এ সম্পর্কে মেজর (অব.) আরিফ হোসেন নিশ্চিত হয়েই সেদিন সকালে অপহরণ পার্টিকে বিভিন্ন পয়েন্টে দাঁড় করান। সাদা পোশাকের একটি টিম নারায়ণগঞ্জ আদালত প্রাঙ্গণে অবস্থান নেয়। তারা সার্বক্ষণিক মেজর আরিফের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে। নজরুল ইসলাম সেদিন তার গাড়ি না এনে সহযোগী মনিরুজ্জামান স্বপনের সাদা রংয়ের এক্স করোলা গাড়ি ব্যবহার করে আদালত প্রাঙ্গণে আসেন।
দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন নিয়ে আদালত থেকে ওই গাড়িতে করে নজরুল ইসলাম বের হওয়ার পরপরই মেজর আরিফের কাছে খবর পৌঁছে দেয় আদালতের আশপাশে অবস্থান নেওয়া সাদা পোশাকের র্যাব সদস্যরা। নজরুলের সঙ্গে একই গাড়িতে ছিলেন সহযোগী মনিরুজ্জামান স্বপন, সিরাজুল ইসলাম লিটন, তাজুল ইসলাম। গাড়ি ড্রাইভ করেন স্বপনের ব্যক্তিগত গাড়িচালক জাহাঙ্গীর। নজরুলদের গাড়ির পেছনে ছিল আইনজীবী চন্দন সরকারের গাড়ি। নজরুলদের বহনকারী গাড়িটি নারায়ণগঞ্জ-ঢাকা লিংক রোড হয়ে উত্তর দিকে যাওয়ার পথে ফতুল্লা স্টেডিয়ামের সামনে (ময়লা ফেলার স্থান) পৌঁছার পর মেজর আরিফের নেতৃত্বে গাড়ির গতিরোধ করা হয়। নজরুলের গাড়ির পেছনে ছিল আইনজীবী চন্দন সরকারের গাড়ি। পরে দুটি গাড়ি থেকে সাতজনকে অস্ত্র দেখিয়ে র্যাবের দুটি গাড়িতে তুলে নেওয়া হয়।
গাড়িতে তাদের ওঠানোর পর একে একে প্রত্যেকের শরীরে ইনজেকশন পুশ করে অচেতন করা হয়। অচেতন হওয়া সাতজনকে কয়েক ঘণ্টা তাদের গাড়িতেই রাখা হয়। পরে নিয়ে যাওয়া হয় নরসিংদীতে। রাত সাড়ে ১০টার দিকে পরিকল্পনা মতে কাঁচপুর ব্রিজের পশ্চিম পাড়ে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা বালু-পাথর ব্যবসাস্থল জনমানুষ শূন্য করার জন্য নূর হোসেনকে ফোন দেন মেজর (অব.) আরিফ হোসেন। গ্রিন সিগন্যাল পাওয়ার পর র্যাবের গাড়ি ওই স্থানে পৌঁছায়। গাড়ির ভেতরই অচেতন প্রত্যেকের মাথা ও মুখ পলিথিন দিয়ে মোড়ানো হয়। পরে গলা চেপে একে একে শ্বাস বন্ধ করে মারা হয় সাতজনকে। সাতজনের নিথর দেহ গাড়ি থেকে নামানো হয়। পরে নারায়ণগঞ্জ শহরের ৫ নম্বর ঘাট থেকে র্যাবের নির্দিষ্ট নৌকা নিয়ে যাওয়া হয় কাঁচপুর ব্রিজের নিচে।
লাশগুলো নৌকায় উঠিয়ে শীতলক্ষ্যা নদী দিয়ে যাওয়ার পথে নির্দিষ্ট স্থান থেকে লাশ গুমের উপকরণ নৌকায় তোলা হয়। নৌকার মধ্যেই সাতজনের পায়ে ২৪টি করে ইটবোঝাই সিমেন্টের ব্যাগ দিয়ে বাঁধা হয়। এরপর হাত পেছন করে রশি দিয়ে বাঁধা হয়। মুখমণ্ডল ডাবল পলিথিন দিয়ে গলার কাছে বাঁধা ছিল। পেট ছিল ধারালো অস্ত্র দিয়ে সোজাসুজি ফাঁড়া। এভাবেই সাতজনের লাশ নদীতে ফেলে দেওয়া হয়। পরে নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলার কলাগাছিয়া ইউনিয়নের শান্তিনগর এলাকা সংলগ্ন নদীতে কয়েকটি লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। এরপর ৩০ এপ্রিল বিকালে পুলিশ গিয়ে শীতলক্ষ্যা নদীর এক কিলোমিটারের মতো এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে একে একে ছয়টি লাশ তুলে আনে। এরপর ১ মে সকালে একজনের লাশ উদ্ধার করা হয়।
সাত খুন মামলা পরিচালনা করা রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী নারায়ণগঞ্জ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওয়াজেদ আলী খোকন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, গত ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে মাত্র ৮ মাসেই মামলার আইনি কার্যক্রম শেষ হয়। ১২৭ জন সাক্ষীর মধ্যে ১০৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ হয়েছে। যুক্তিতর্ক ও আসামিদের জেরাতে রাষ্ট্রপক্ষ তথা আমরা আদালতে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি যে মামলায় অভিযুক্তরা সবাই সাতজনকে অপহরণ থেকে শুরু করে হত্যা, গুমসহ পুরো কার্যক্রমে জড়িত। সোমবার নারায়ণগঞ্জে আলোচিত সাত খুন মামলায় ২৬ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। বাকি ৯ জনকে সাত থেকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির মধ্যে তিনজন পলাতক। নারায়ণগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।





