Monday, January 16, 2017

সালমানের আইডি নিয়ে ভোটকেন্দ্রে আরেকজন: এরপর তুলকালাম


সালমান খানের জন্মদিন ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৬৫ সালে তাঁর জন্ম। সেই মতো ২০১৬ সালে তাঁর ৫১তম জন্মদিন পালিত হয়। কিন্তু সম্প্রতি একটি ভোটার কার্ডের খবর প্রকাশ্যে এসেছে, যেটি সালমান খানের প্রকৃত বয়স সম্পর্কে প্রশ্নচিহ্ন তুলে দিয়েছে। 
হায়দরাবাদের পুরানা শহর এলাকায় কিছু দিন আগে আয়োজন করা হয়েছিল পৌরভোটের। সেই ভোটে ভোটকেন্দ্রে এক ব্যক্তি বিচিত্র ভোটার কার্ড নিয়ে ভোট দিতে হাজির হন। ভোটার কার্ডে নামের জায়গায় লেখা সালমান খান এবং ছবির জায়গায় অভিনেতার ছবি। বাবার নামও সালমানের বাবা সেলিম খানের নাম। সেই কার্ডেই দেখা যায়, সালমানের বয়স লেখা রয়েছে ৬৪ বছর। 
এই কার্ড নিয়ে যিনি ভোট দিতে হাজির হয়েছিলেন, তিনি আদৌ অভিনেতা সালমান খান নন। এমনকী তাঁর নামও সালমান নয়। তা হলে এমন অদ্ভুত একটি ভোটার কার্ড তাঁর কাছে এল কী করে? এই বিষয়ে ভোটকর্মীরা ওই ব্যক্তিকে চেপে ধরতেই তিনি জানান, তিনি দরিদ্র, এবং লেখাপড়া জানেন সামান্যই। তিনি ভোটার কার্ড পাওয়ার জন্য নির্দিষ্ট জায়গায় নাম নথিভুক্ত করেছিলেন এবং ছবি তুলিয়েছিলেন। 
কিছু দিন পরে ভোটাধিকারিকরা এই কার্ডটিই তাঁর হাতে তুলে দেন। কার্ডে নিজের ছবি দেখতে না পেয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের এই বিষয়ে প্রশ্ন করলে, তাঁরা নাকি বলেন, এই কার্ড নিয়ে ভোট দিতে তাঁর কোনও অসুবিধা হবে না। তিনি কার্ডটি নিয়ে বাড়ি চলে আসেন।

ওই ব্যক্তির কথাবার্তা শুনে তাঁকে নিরপরাধ বলেই মনে হয়েছিল সংশ্লিষ্ট ভোটকর্মীদের। তাঁরা তাঁকে ছেড়ে দেন। অবশ্য তাঁকে ভোট দিতে দেওয়া হয়নি। 
ভোটার কার্ড ইস্যু করার সময়েই কোনও গোলমাল হয়েছে বলে ধারণা করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ভোটকর্মীরা বলছেন, কোনও ভাবে ভুলবশত সালমানের নাম, পিতৃপরিচয় এবং ছবি ওই ব্যক্তির ভোটার কার্ডে চলে এসেছে।
গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে যে, কার্ডে প্রকাশ পাওয়া তথ্যগুলি অভিনেতা সালমান খান সংক্রান্তই। ভক্তদের কাছে নিজের প্রকৃত বয়স গোপন করলেও, নির্বাচন কমিশনকে ঠিক তথ্যই দিয়েছিলেন অভিনেতা। সেই তথ্যই কোনও ভাবে অন্য এক ভোটারের পরিচয়পত্রে ছাপা হয়ে গিয়েছে, এমন দাবিও করছেন কেউ কেউ। এবেলা।

টুকতে বাধা, আইন পরীক্ষায় ফেল ৯০% পড়ুয়া


উত্তরপত্রের মূল্যায়নে কড়াকড়ি আনতেই পরীক্ষায় পাশ নম্বর তুলতে হিমশিম খেলেন পড়ুয়ারা। সম্প্রতি আগ্রার বি আর আম্বেদকর বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছেন ৯০% ছাত্রছাত্রী।

সোমবার আগ্রা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হওয়ার পরে পড়ুয়াদের মধ্যে হাহাকার পড়ে গিয়েছে। মোট ১৭০০ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ফেলের হার দাঁড়িয়েছে ৯০%। উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নয়া নীতিই এর জন্য দায়ী বলে মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, আগামী ২০ জানুয়ারি বাকি ১৫,০০০ পড়ুয়ার পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে।

উল্লেখ্য, টোকাটুকি রুখতে এর আগে পরীক্ষাকেন্দ্র বদল তকরলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা করে বেসরকারি কলেজগুলি। গত ১৩ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বভার গ্রহণ করেন উপাচার্য অরবিন্দ দীক্ষিত। কাজ শুরু করেই পরীক্ষার খাতা দেখার ব্যাপারে বেশ কিছু রদবদল আনেন তিনি। জানা গিয়েছে, এবারের পরীক্ষার উত্তরপত্র দেখা হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে। মূল্যায়ন শুরু হওয়ার পরে একের পর এক ফাঁকা উত্তরপত্র দেখে চোখ কপালে ওঠে পরীক্ষকদের। এছাড়া বেশ কয়েকটি উত্তরপত্রে ২-৩টির বেশি প্রশ্নের জবাব দেওয়া হয়নি। যার সুবাদে পাশ করার জন্য ন্যূনতম নম্বরও অর্জন করা সম্ভব নয়। বিষয়টি উপাচার্যের নজরে আনলে বিভ্রান্তি এড়াতে তিনি প্রত্যেকটি খাতা স্ক্যান করার নির্দেশ দেন।


সূত্রের খবর, আগ্রা শহরে রমরমিয়ে চলা টোকাটুকি চক্রের তরফ থেকে পড়ুয়াদের ফাঁকা উত্তরপত্র জমা দিতে বলা হয়েছিল। আসলে কড়া নজরদারির কারণে পরীক্ষার সময় টোকাটুকি করা অসম্ভব হওয়ার পরেই তারা ছাত্রছাত্রীদের এমন পরামর্শ দেয়। ঠিক হয়, পরীক্ষা শেষ হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল নিম্ন শ্রেণির কর্মীর সাহায্যে ফাঁকা পাতার জায়গায় সঠিক উত্তর লেখা পাতা ঢুকিয়ে দেওয়া হবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কর্তৃপক্ষের কড়া পদক্ষেপের কারণে তা সম্ভব হয়নি।

১১৯ বল খেলে কিউই ব্যাটসম্যানের শূন্য রান!!


ক্রিকেটের ইতিহাসে ১১৯ বল খেলে শূন্য রানে অপরাজিত থাকার মতো ঘটনা খুব কমই আছে। সম্প্রতি এমনই ঘটনা ঘটেছে। 


নিউজিল্যান্ডের ক্রিকেটার ফ্রেজার উইলসন ১২৬ মিনিট ব্যাট করে ১১৯ বল খেলে কোনো রানই করেননি।

আরও অবাক করা ঘটনা হল-পুরো সময় তিনি এক চোখ দিয়ে দেখে ব্যাট করছিলেন।

হক জোন কাপের এলিমিনেশন পর্বে সাউথল্যান্ডের বিপক্ষে ব্যাট করছিলেন ওটেগোর অধিনায়ক ফ্রেজার উইলসন। তিনি তার সতীর্থ টম মাইলসের সঙ্গে ২৩ ওভার ব্যাট করেন। মাইলস ৬৮ বলে ২৮ রান করলেও ফ্রেজার কোনো রান করেননি।

তিনি একপ্রান্ত আগলে রেখে দলের পরাজয় বাঁচানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু ম্যাচ ড্র হতে যখন আর ৩ বল বাকি ঠিক তখনই তার সতীর্থ আউট হয়ে গেলে পরাজয় বরণ করতে হয় ফ্রেজারের দলকে।

এদিকে চোখের সমস্যা থাকায় চোখে লেন্স লাগিয়েছিলেন এ ডান-হাতি ব্যাটসম্যান। তবে এক চোখের লেন্স হঠাৎ মাঠে পড়ে যায়। ফলে এক চোখ দিয়েই পুরো সময় ব্যাট করেন ফ্রেজার।