Wednesday, February 1, 2017

গোড়ালিতে হঠাৎ ব্যথা? হাঁটার ক্ষমতা হারাতে না চাইলে জেনে নিন কী করবেন!

গোড়ালিতে হঠাৎ ব্যথা? হাঁটার ক্ষমতা হারাতে না চাইলে জেনে নিন কী করবেন!

১. প্লান্টার ফেসিয়াটিস লিগামেন্ট গোড়ালির হাড়ের সাথে যুক্ত থাকে। এই লিগামেন্টে খুব বেশি চাপ পড়লে গোড়ালির সাথে যুক্ত টিস্যুগুলি উদ্দীপ্ত হয়ে ওঠে, যার ফলে ব্যথা হয়। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে অনেকক্ষণ বিশ্রাম নেয়ার পর বা সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর ব্যথা বেশি অনুভব হয়।
২. পায়ের পাতা ফ্ল্যাট হলে গোড়ালিতে ব্যথার সম্ভাবনা বাড়ে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে টিনএজারদের এই সমস্যা হয়। এই বয়সে গোড়ালির হাড় পূর্ণতা পায় না। খুব দ্রুত ক্ষয় হয়।
৩. গোড়ালির হাড় সম্পূর্ণ গঠন হওয়ার আগে বেশি হিল জুতো পরলেও ব্যথা হয়। দীর্ঘদিন ধরে খুব শক্ত জুতো ব্যবহারের ফলে গোড়ালিতে চাপ পড়ে। এতে গোড়ালির পেছন দিক থেকে অথবা গোড়ালির ভেতর থেকে ব্যথা অনুভব হয়। পরে ক্রমশই বাড়তে থাকে।
৪. পায়ের পেছনের দিকে নার্ভে চাপ পড়লেও গোড়ালি ব্যথা হয়।
৫. খুব বেশি এক্সারসাইজ, খেলাধুলো এবং হাঁটাচলা করে কাজ করলে গোড়ালির হাড়ে খুব চাপ পড়ে, যা থেকে হাড়ে চিড় ধরে। মূলত যারা দৌড়ায় তাদের এই সমস্যা থেকে গোড়ালিতে ব্যথা হয়।
৬. বিভিন্ন অসুখ থেকে হতে পারে হিল পেইনের সমস্যা। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ৭-১৫ বছরের মধ্যে বাচ্চাদের গোড়ালিতে ব্যথা হয়। অস্টিওস্পোরোসিস থাকলেও গোড়ালিতে ব্যথা হয়।
৭. রক্তে ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গেলে, বোন সিস্ট থাকলে হিল পেন হয়।
জেনে নিন কখন ডাক্তার দেখাবেন?
১. গোড়ালি ফুলে গেলে।
২. জ্বরের সাথে গোড়ালিতে ব্যথা ও অসাড় হলে।
৩. হাঁটার সমস্যা হলে, পা ভাঁজ করতে অসুবিধা অথবা টো দিয়ে দাঁড়াতে সমস্যা হলে।
৪. একসপ্তাহের বেশি গোড়ালিতে ব্যথা থাকলে, হাঁটা কিম্বা দাড়ানো অবস্থা ছাড়াও ব্যথা করলে দেরি না করে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।
গোড়ালির ব্যথায় কী করবেন?
১. হিল পেইনের সমস্যা থেকে বাঁচতে নরম জুতো ব্যবহার করুন। শক্ত জুতো বা উঁচু-নিচু জায়গায় বেশি হাঁটা চলবে না।
২. মাসল পেইন থাকলে অবশ্যই ওজন নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।
৩. ভিটামিনের অভাব থাকলে তা নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।
৪. ভিটামিন-সি ও ভিটামিন-ই বেশি করে খেতে হবে।
৫. বেশি করে সবুজ শাক-সবজি ফল খাওয়া উচিত।
৬. ব্যথা এড়াতে কর্ড লিভার অয়েল উপকারি।
৭. সামুদ্রিক মাছ খেতে হবে।
৮. বেশি করে পানি পান করতে হবে।
৯. তেল-ঝাল জাতীয় খাবার বেশি খাওয়া চলবে না।
১০. ডাবের পানি ও ফল বেশি করে খেতে হবে।
বেশিদিন স্থায়ী ব্যথা হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

আদালতে ডিজিটাল হাজিরার উদ্বোধন

ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) আদালতে ডিজিটাল হাজিরা দেওয়ার মেশিন' স্থাপন করা হয়েছে। বুধবার ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম শেখ হাফিজুর রহমান এ 'ডিজিটাল অ্যাটেনডেন্স এর কার্যক্রম উদ্বোধন করেন।
এসময় তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণের স্বপ্নের সঙ্গে অংশীদার হতে পেরে আমরা গর্বিত। আমরা আশা করছি, ডিজিটাল হাজিরা পদ্ধতির মাধ্যমে সকলেই সঠিক সময়ে আদালতে আগমন ও প্রস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হবে এবং বিচারপ্রার্থী জনগণ সর্বোচ্চ সেবা পাবে।

এবার সানির বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনের মামলা

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpufv
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.d
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpufsdlfhkf
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpufv
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড় আরাফাত সানি ও তার মায়ের বিরুদ্ধে এবার নারী নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেছেন তার স্ত্রী বলে দাবি করা নাসরিন সুলতানা।
বুধবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৪-এর বিচারক এস এম রেজানুর রহমান আদালতে নাসরিন হাজির হয়ে মামলাটি করেন। আদালত মামলাটি মোহাম্মদপুর থানাকে তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।
এ নিয়ে সানির বিরুদ্ধে তার স্ত্রী দাবি করা নাসরিন এখন পর্যন্ত তিনটি মামলা করলেন। প্রথমটি তথ্যপ্রযুক্তি (আইসিটি) আইনে, পরেরটি যৌতুক নিরোধ আইনে ও সর্বশেষ বুধবার নারী নির্যাতনের অভিযোগে।
মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১৪ সালের ৪ ডিসেম্বর নাসরিন আক্তারের সঙ্গে ক্রিকেটার আরাফাত সানির ৫ লাখ ১ টাকায় দেনমোহরানায় বিয়ে হয়। বিয়ের পর ২০১৫ সালের ২৯ জুলাই ক্রিকেটার সানি ২০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় তাকে বিভিন্নভাবে গালাগালি করতে থাকেন। ২০১৬ সালের ২৩ ডিসেম্বর নাসরিন তাকে ঘরে তুলে নেয়ার আবেদন করলে সানি যৌতুকের টাকার জন্য চাপ দিতে থাকেন।
নাসরিনের আইনজীবী কামাল উদ্দিন বলেন, গত ২২ জানুয়ারি মোহাম্মদপুর থানাসংলগ্ন রাস্তায় আরাফাত সানির মা অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে এই নাসরিনের চুল ধরে মারধর করেন এবং পোশাকের একটি অংশ ছিঁড়ে ফেলেন।
তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি আইনে করা মামলাটিতে সানি রিমান্ড শেষে এখন কারাগারে। গত ১৯ জানুয়ারি সানিকে ঢাকার আমিনবাজার এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। - See more at: http://www.manobkantha.com/2017/02/01/188082.php#sthash.sv2TubkV.dpuf

Wednesday, January 18, 2017

ম্যাচ জিততে অসৎ উপায় অবলম্বন করেছিলো নিউজিল্যান্ড!


বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ওয়েলিংটন টেস্টের চার দিন টাইগাররা চালকের আসনে থাকলেও শেষ দিনে এসে আকস্মিকভাবে মারাত্মক ব্যাটিং ব্যর্থতায় হেরে যায়। ব্যাটিং স্বর্গ ওয়েলিংটনের উইকেট যেন আচমকাই বদলে যায় পঞ্চম দিনে। এই বদলে যাওয়ার পিছনের কারণ উম্মোচিত হয়েছে। জয়ের জন্য ক্রিকেটের আইন ভেঙ্গেছে কিইউরা!
কালেরকন্ঠের একটি অনুচ্ছেদের মতে, ওয়েলিংটন টেস্ট জয়ের জন্য নিয়ম ভেঙ্গে উইকেটের সাহায্য নিয়েছে নিউজিল্যান্ড। সাধারণত সব ধরণের ম্যাচ শুরুর আগে দুই দলের অধিনায়ক, কোচ, ম্যানেজারদের নিয়ে সভা করেন সেই ম্যাচের দায়িত্বে থাকা রেফারি। ওয়েলিংটনের বেসিন রিজার্ভে টেস্ট শুরুর আগেও ম্যাচ রেফারির সাথে দুই দলের সভা হয়েছিলো। সেখানে কথা ছিলো, ম্যাচ চলাকালীন পাঁচ দিনে মূল উইকেটের দুই পাশের দুইটি করে উইকেটে পানি দেওয়া হবে না। কেননা, পাশের দুইটি উইকেটে পানি দিলে ম্যাচের উইকেট তা শুষে নিতে পারে; যার ফলে ব্যাটসম্যানদের জন্য তা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারে। তাই, সিদ্ধান্ত নেয়ে হয়েছিলো কোনো প্রকারের পানি দেয়া হবে না।

তবে বাংলাদেশ দলের একটি সূত্রের মতে, “চতুর্থ দিন খেলার পর মূল উইকেটের পাশেরটিতে পানি দিয়েছেন কিউরেটর। আমাদের কোচ চান্ডিকা হাথুরুসিংহে সে দৃশ্য মোবাইলে ধারণও করেছেন।” ঘটনাটি আড়ালে ঘটলেও বাংলাদেশের কোচ হাথুরুসিংহে জানিয়েছেন, “অবাক করা কাণ্ড হলো নিউজিল্যান্ড কোচ মাইক হ্যাসনকে দেখেছি কিউরেটরের সঙ্গে কথা বলতে। আর তিনি মাঠ ছাড়ার মিনিট পাঁচেক পরেই পানি দেওয়া শুরু করেন কিউরেটর।”
তবে উইকেটে পানি দেয়ার ঘটনাটি ঘটেছে রিজার্ভ আম্পায়ার ক্রিস্টোফার মার্ক ব্রাউনের চোখের সামনেই। সেটিও নাকি মোবাইলে ধারণ করেছেন বাংলাদেশ কোচ। পুরো বিষয়টি ম্যাচের দায়িত্বে থাকা আইসিসির সদস্যদের অবগত করেছিলেন কোচ। সকল সাক্ষ্য-প্রমাণ নিয়ে সেদিন সন্ধ্যায় ম্যাচ রেফারি জাভাগাল শ্রীনাথের কাছে অভিযোগ করেন হাথুরুসিংহে। তবে কাজের কাজ কিছু হয় নি।
টেস্টের ৫ম দিনে পিচ হয়ে উঠে ভয়ানক। ফলাফল অল্পতেই গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। তবে ক্রিকেটারদের দৃঢ় বিশ্বাস, “উইকেটে পানি দেওয়ার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে পঞ্চম দিনে ম্যাচটাই বাতিল হতে পারত, যদি ভুক্তভোগী হতো ক্রিকেট রাজনীতির শক্তিধর কোনো দল। “ দল হিসেবে পরিণত হলেও ভালো ক্রিকেট রাজনীতির শক্তিশালী দল হিসেবে এখনো ছোটই রয়ে গেছে বাংলাদেশ।
অন্যদিকে, জেতার জন্য উইকেটে পানি দেয়ার চক্রান্ত, কিইউদের দিকে সবার নজরকে স্বাভাবিকভাবেই বদলে দিবে।

সহজ পরীক্ষায় জেনে নিন সন্তান ছেলে হবে না মেয়ে? জেনে রাখুন কাজে লাগবে

শিশুটি ছেলে না কি মেয়ে হবে? এটি প্রায় সকলের জন্য একটি মজাদার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। মা-বাবারও জানার আগ্রহের কমতি থাকে না। তবে ২০ সপ্তাহের আগে শিশুটির লিঙ্গ সম্পর্কে ডাক্তার জানাতে পারেন না।

২০ সপ্তাহ তো অনেক সময়, একটু চেষ্টা করলেই আগে জানা যায়।অনেক মায়েরাই তাদের গর্ভের সন্তান সম্পর্কে আলট্রাসনগ্রাম করার আগেই জানতে পারেন। কিন্তু, কীভাবে তা সম্ভব হয়, আজ আপনারাও তা জেনে নিন-
১. কোন খাবারের প্রতি আপনার আকর্ষণ :- বেশীরভাগ মহিলা গর্ভাবস্থায় হরমোন ভারসাম্যহীনতায় ভোগে। যার ফলে তাদের মাঝে বিভিন্ন কিছু খাওয়ার প্রবল ইচ্ছা জাগে। আপনার ক্ষুধিত খাদ্য টাইপ আপনার গর্ভস্থ শিশুর লিঙ্গ নির্ধারণ করতে পারে। আপনার যদি মিষ্টি বা চিনিযুক্ত খাবার ইচ্ছা হয়, তাহলে সম্ভবত মেয়ে হবে আর যদি নিমকি এবং মসলাদার খাবার খাওয়ার ইচ্ছা হয়, তাহলে ছেলে হতে পারে।
২. পেটে সমস্যা হচ্ছে কি :- সমীক্ষায় দেখা গেছে, যাদের গর্ভাবস্থায় সকালে হালকা বমি বা অন্য কোন সমস্যা হয় নি তাদের ছেলে হয়েছে। তবে, শিশুটি মেয়ে হলে পেটে ব্যথার সৃষ্টি হয় এবং সকালে শারীরিক অসুস্থতা বেশি বৃদ্ধি পায়।
৩. পেটের অবস্থান :- গর্ভাবস্থায় পেট বেশি ভারী মনে হলে, মেয়ে শিশু হবে। আর যদি ভার কম অনুভূত হয় তাহলে ছেলে হবে। শিশুটি যদি পেটের ডানদিকে আছে বলে মনে হয়, তাহলে মেয়ে হবে। আর যদি সমস্ত পেট জুড়ে বা বামদিকে অনুভূত হয় তাহলে ছেলে হবে।
৪. হার্টবিট রেট :- ডাক্তারের নিকট চেকআপের সময়, যখন ডাক্তার আপনার গর্ভস্থ শিশুর হৃদস্পন্দন পরীক্ষা করেন তখন লক্ষ্য রাখুন, হৃদস্পন্দনের রেট কত। হৃদস্পন্দন যদি 140 BPM এর বেশি অথবা সমান হয়, তাহলে শিশুটি মেয়ে। আর যদি হৃদস্পন্দনের রেট 140 BPM এর কম হয়, তাহলে গর্ভস্থ শিশুটি ছেলে হবে।
৫. ব্রেকআউট :- গর্ভাবস্থায় আপনার ত্বকে কি ব্রণ বা অন্য কোন সমস্যা হচ্ছে, যা আপনার সৌন্দর্য নষ্ট করছে? তাহলে অবশ্যই আপনার মেয়ে হবে। আগের দিনের মানুষ বলত, মেয়ে শিশুরা মায়ের সৌন্দর্য চুরি করে, তাই মায়ের চেহারার সৌন্দর্য নষ্ট হয়। যদিও তা কুসংস্কার।
৬. রিং টেস্ট :- একটি আংটি নিয়ে সুতার সাথে বেঁধে নিন। তারপর আপনি শুয়ে আপনার পেটের উপর আংটিটি ঝুলিয়ে দিন। এবার আংটিটির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করুন। যদি আংটিটি আপনার মাথা ও পায়ের দিকে সমান সমান দুলতে থাকে, তাহলে আপনার মেয়ে হবে। আর যদি রিংটি গোল গোল ঘুরতে থাকে তাহলে আপনার ছেলে হবে।
৭. শিশুদের উপদেশ নিন :- গর্ভাবস্থায় থাকা অবস্থায় অনেক আপনজনেরা পেটের সাথে কান লাগিয়ে শিশুটিকে অনুভব করতে চায়। অনেক ছোট ছোট শিশু আছে, যারা পেটের সাথে কান লাগিয়ে কথা বলতে চায়। সেক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখুন, যদি কোন ছেলে শিশু আপনার পেটে কান লাগিয়ে বারবার শিশুটিকে অনুভব করতে চায়, তাহলে আপনার মেয়ে হবে। আর যদি কোন মেয়ে শিশু এ কাজটি করে, তাহলে আপনার ছেলে শিশু হবে।
এই বিষয়গুলো লক্ষ্য করলে আপনি ডাক্তার বলার আগেই বুঝতে পারবেন, কে আসছে আপনার জীবনে। তাহলে আগে থেকেই তার জন্য প্রস্তুতি নিতে পারবেন। যেমন- মেয়ে হলে সবকিছু গোলাপি আর ছেলে হলে নীল। ছেলে ও মেয়ের মাঝে কোন ভেদাভেদ নেই। তবে, জানার আগ্রহ ও কৌতূহল আবিষ্কারের জন্য এই পদ্ধতি।


Tuesday, January 17, 2017

সেদিন তারেক সাঈদের পা ধরেছি, সে আমাকে লাথি মেরে ফেলে দিয়েছে


নারায়ণগঞ্জে সাত জনকে অপহরণের পরই স্বজনরা র‌্যাবের সম্পৃক্ততার অভিযোগ করেছিলেন। তাদেরকে উদ্ধারে বাহিনীটির স্থানীয় কার্যালয়ে ছুটেও গিয়েছিলেন তারা।
কিন্তু র‌্যাব-১১ এর সে সময়ের অধিনায়ক তারেক সাঈদ মোহাম্মদ তাদেরকে ফিরিয়ে দেন। বলেন, এই ঘটনাটি তারা নয়, ঘটিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের আলোচিত নেতা শামীম ওসমান।
২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লা থেকে গাড়িতে করে তুলে নেয়া হয় সিটি করপোরেশনের ২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, তার বন্ধু মনিরুজ্জামান স্বপন, তাজুল ইসলাম, সিরাজুল ইসলাম লিটন,
নজরুলের গাড়িচালক জাহাঙ্গীর আলম, আইনজীবী চন্দন কুমার সরকার এবং তার ব্যক্তিগত গাড়িচালক ইব্রাহিমকে।
আড়াই বছরেরও বেশি সময় পর সোমবার সকালে নারায়ণগঞ্জের একটি আদালতে রায় ঘোষণা হয়।
বিচারক যে ২৬ জনকে ফাঁসির দণ্ড দিয়েছে তাদের ১৭ জনই র‌্যাব সদস্য। আবার কারাদণ্ড পাওয়া নয় জনের সাত জনও এই বাহিনীটির সাবেক কর্মকর্তা।
এই রায়ের পর নিহত কাউন্সিলর নজরুলের শ্বশুর শহীদ কমিশনার আড়াই বছরেরও বেশি সময় আগে অপহরণের সেই দিনের স্মৃতিচারণ করেন।
জানান, র‌্যাব-১১ এর সে সময়ের কমান্ডার কীভাবে এই ঘটনাটিতে নিজেদেরকে বাঁচাতে স্থানীয় সংসদ সদস্যকে ফাঁসাতে চেয়েছিলেন।
নজরুলের শ্বশুর বলেন, ‘আমরা আগে থেকেই জানতাম র‌্যাব ধরে নিয়ে গেছে। আমরা র‌্যাবের অফিসে গিয়ে তারেক সাঈদের পা ধরে কান্নাকাটি করেছি।
তখন তারেক সাঈদ আমাকে লাথি মেরে ফেলে দিয়েছে। বলেছে, শামীম ওসমানের সঙ্গে দ্বন্দ্বের কারণে শামীম ওসমান এদেরকে মেরে ফেলেছে।’
এই হত্যায় প্রধান আসামি নুর হোসেন নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের ডান হাত বলেই পরিচিত ছিলেন।
এই হত্যার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই দুই জনের একটি টেলিফোন আলাপে প্রকাশ হয়। নুর হোসেন শামীম ওসমানের মোবাইল ফোনে কল করে বলেছিলেন, তিনি এই হত্যায় জড়িত নন। তাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
পরে গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হয় যে, নুর হোসেনকে শামীম ওসমানই ভারতে চলে যাওয়ার পথ বাতলে দেন। শামীম ওসমান পরে ২০১৪ সালের ১৪ মে সংবাদ সম্মেলন করে বলেন, এই অভিযোগ সত্য নয়।
তাকে নূর হোসেন ফোন করেছিলেন-এটা সত্য, কিন্তু তিনি তাকে বলেছিলেন আত্মসমর্পণ করতে। তিনি বলেন, নূর হোসেনের সঙ্গে তার কথোপকথনের পুরোটা পত্রিকায় ছাপা হয়নি। তিনি বলেন, ‘কিছু কাটা আছে, পুরো ব্যাপারটা সাজানো। আংশিক ছাপা হয়েছে, আংশিক হয়নি। কিংবা এডিটিং করেছে।’
ওই সংবাদ সম্মেলনেই শামীম ওসমান অভিযোগ করেন, ঘটনাটি র‌্যাবই ঘটিয়েছে। জানান, ২৭ এপ্রিল অপহরণের পর তিনি র‌্যাবের সঙ্গে কথা বলেছেন।
র‌্যাব তাকে আশ্বাস দিয়েছিল অপহৃত সাত জনকেই ফিরিয়ে দেয়া হবে।
নূর হোসেনের সঙ্গে তার কথোপকথনের টেপ প্রকাশ কারা করেছে-ওই সংবাদ সম্মেলনে সে প্রশ্নও তুলেছিলেন শামীম ওসমান।

Monday, January 16, 2017

আড়াই হাজার বছরের পুরনো কবরে এক নারীর দারুণ ইতিহাস, শুনলে চমকে যাবেন!



একশ’ বা দুশ’ বছরের ঘটনা নয়, আড়াই হাজার বছরের পুরনো কবর।  এক নারীর সমাধিস্থলে মিললো দারুণ এক ইতিহাস, যা শুনলে চমকে যাবেন!

গ্রিসের এথেন্সে ২৪০০ বছর আগের এক নারীর সমাধিস্থলে মিলেছে ৫টি ফলক।  এথেন্সের কয়েকটি পানশালার কয়েকজন মানুষের অভিশাপ ছিল ফলকগুলো।
৪টি ফলকে খোদাই করে অভিশাপের কথা লেখা হয়েছে।  অন্ধকার দুনিয়ার দেবতা ‘সিথোনিক’-এর কাছে অনুরোধ করা হয়েছে এথেন্সের কয়েকটি পানশালার চার জোড়া স্বামী-স্ত্রীর বিরুদ্ধে।  পঞ্চম ফলকটি ছিল ফাঁকা।  সম্ভবত এ ফলকে অভিশাপের কথাগুলো উচ্চারণ করা হয়েছে।
একটি লোহার দণ্ডের মাধ্যমে ৫টি ফলককে এক করা হয়েছে।  এগুলো গুছিয়ে ওই সমাধিস্থলে রাখা হয়।  ওই সমাধি থেকে অভিশাপ সংশ্লিষ্ট দেবতার কাছে পৌঁছে যাবে প্রাচীনকালের মানুষের ধারণা এমনটাই ছিল।
একটি অভিশাপের ফলকে দিমেত্রিওস এবং পানাগোরা নামের দুজনকে উপলক্ষ্য করা হয়েছে।  তাতে যা লেখা রয়েছে তার ভাষা অনেকটা এমন- তোমরা পানাগোরা ও দিমেত্রিওস এবং তাদের পানশালা ও সম্পদের ওপর ঘৃণা বর্ষণ করো।
আমার শত্রু দিমেত্রিওস এবং পানাগোরাকে আমি অন্ধ করে দেব, রক্ত ও ছাইয়ের মাঝে, অন্যান্য মৃতের সঙ্গে…।  আমি দিমেত্রিওসকে এমন শক্তভাবে বাঁধবো, যতটা শক্তভাবে সম্ভব এবং আমি তোমার জিহ্বায় একটা কাইনোটোস দিয়ে আঘাত করবো।
কাইনোটোস শব্দের অর্থ কুকুরের কান।  এটা প্রাচীন গ্রিসের জুয়ার একটি চাকতির নাম, যার মাধ্যমে সবচেয়ে কম মূল্যের কিছু বোঝানো হতো।
জন হপকিন্স ইউনিভার্সিটির প্রশিক্ষক জেসিকা ল্যামোন্ট সম্প্রতি ‘জিৎসরিফ্ট ফার প্যাপিরোলোগি আন্ড এপিগ্রাফিক’ জার্নালে গবেষণাপত্রে এসব তথ্য প্রকাশ করেছেন।
একটি মানুষের মাথায় হাতুড়ি দিয়ে পেরেক ঠোকানোর মতো কর্মকাণ্ড যেমন হবে, অভিশাপপূর্ণ ফলকের মাধ্যমে তেমনি ফুটে উঠেছে।
২০০৩ সালে গ্রিসের ইফোরেট ফর প্রিহিস্টোরিক অ্যান্ড ক্লাসিক্যাল অ্যান্টিকুইটিসের পুরাতত্ত্ববিদরা এক নারীর সমাধিস্থল খোদাই করে ফলকগুলো খুঁজে পান।
পিরাউইসের উত্তরে সমাধিটির সন্ধান মেলে।  এটা পোর্ট অব এথেন্সের কাছেই।  অবশ্য কবরটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ফলকগুলো নিয়ে গবেষণা করছিলেন।
লাইভ সায়েন্সকে ল্যামোন্ট জানান, অভিশাপ-সম্বলিত ফলকগুলোকে কার্যকর করতে তা সমাধিতে রাখার নিয়ম পালন করা হতো প্রাচীন গ্রিসে।  এমন একটি স্থান যেখানে দেবতার সঙ্গে মৃত বা ফলকের যোগাযোগ ঘটবে বলে বিশ্বাস করা হতো।  হয়তো মৃত নারীর সঙ্গে অভিশাপের কোনো সম্পর্ক নেই। অভিশাপ প্রদানকারী ওই সময় এ নারীর কবরে ফলকগুলো রেখে দেয়ার সুযোগ পেয়ে যান।
ধরে নেয়া যায়, সমাধিস্থলে প্রবেশের ব্যবস্থা ছিল।  ফলকে লেখা কথাগুলো স্পষ্ট ছিল।  সম্ভবত কোনো পেশাদার অভিশাপ লেখক খোদাই করে এসব লিখেছিলেন।  মারাত্মক ভাষায় অভিশাপ প্রদানের বিষয়টি এতদিন পর উদ্ধার হওয়ার ঘটনা সত্যিই বিরল।
ল্যামোন্টের মতে, যিনি অভিশাপ করেছেন, সম্ভবত তিনি পানশালার মালিক ওই চার জোড়া স্বামী-স্ত্রীর প্রতিযোগী কোনো ব্যবসায়ী।  কোনো না কোনো  কারণে এমন অভিশাপ।  তাদের সঙ্গে তার বিরোধও থাকতে পারে।  সূত্র : ফক্স নিউজ


আপনি কোন রোগে আক্রান্ত, জেনে নিন জিভের রঙ দেখে

শরীর খারাপ হলে চিকিত্‍সকরা রোগীর জিভটা দেখেন। তার রঙ ও আকার দেখে শারীরিক সমস্যার কথা জানেন। কয়েক শতাব্দী পুরনো এই পন্থা আসলে চীনাদের চিকিৎসা পদ্ধতির অঙ্গ ছিল। আপনারাও বাড়িতে বসেই শরীরে কোথায় সমস্যা তা জানতে পারেন নিজেদের জিভ দেখেই।

১) জিভের ওপর পাতলা সাদা আবরণ : জিভ মূলত আমাদের পরিপাকতন্ত্রের খবরাখবর জানায়। কারণ জিভ থেকেই এই তন্ত্রে শুরু। জিভের ওপর যদি পাতলা সাদা একটি আস্তরণ থাকে, তা হলে বুঝবেন হজমে কোনও সমস্যা নেই। পরিপাকতন্ত্র ঠিকমতো কাজ করছে।
২) মোটা সাদা আস্তরণ : এটা শরীর খারাপের সংকেত। এটা হলে বুঝবেন শরীরে কোথাও চোট রয়েছে অথবা ভেতরে ভেতর শরীর খারাপ হচ্ছে। শরীরে কোনও একটি অংশ ঠিক মতো কাজ করছে না।
৩) হলুদ আস্তরণ : মূলত জ্বর হলে জিভের ওপর হলুদ আস্তরণ পড়ে। দেহের তাপমাত্রা অনেক কারণে বাড়তে পারে। সেটা ব্যাক্টেরিয়া সংক্রমণ হতে পারে, শরীরের কোনও অংশ ফুলে গিয়ে থাকতে পারে।
৪) উপরিভাগে লাল চাকা-চাকা চামড়া উঠে যাওয়া: এর অর্থ শরীরে এনার্জি বলতে কিছুই অবশিষ্ট নেই। কোনও অ্যালার্জির কারণেও এমনটা হতে পারে। চর্মরোগ, র‌্যাশ প্রভৃতি রোগের লক্ষণ হতে পারে। সুস্থ শরীরে জিভের স্বাভাবিক রং হাল্কা গোলাপি। এর অর্থ আপনার শরীরে বিশেষ কোনও সমস্যা নেই। পরিপাকতন্ত্রও ঠিকমতো কাজ করছে।
এ বার দেখে নিন জিভের রং কী রকম হলে শরীরে কোথায় সমস্যা দেখা যায়।
১) ফ্যাকাশে : জিভের রং যদি ফ্যাকাশে হয়ে যায় বুঝতে হবে হজম ঠিক মতো হচ্ছে না। ভেতরে ভেতরে ঠান্ডা লেগে রয়েছে। এর সঙ্গে যদি জিভ বার বার শুকিয়ে যায়, তা হলে তা অ্যানিমিয়ার লক্ষণ হতে পারে। তার সঙ্গে ইনসমনিয়া, স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া প্রভৃতি রোগের লক্ষণ হতে পারে।
২) উজ্জ্বল লাল রং : এ রকম রং দেখলে বুঝবেন শরীরে কোথাও ইনফেকশন রয়েছে। প্রথমে জিভের ডগার দিকটাই লাল থাকবে। পরে তা পুরো জিভে ছড়িয়ে পড়বে।
৩) জিভের পাশে লাল রং : খুব মশলাযুক্ত খাবার খেলে, প্রতুর ফ্যাট জাতীয় এবং অ্যালকোহলের মাত্রা শরীরে বেশি হলে এমন রং হয়। কোষ্ঠকাঠিণ্যের মতো সংস্যা থাকলেও জিভের রং এমন হয়।
৪) নীল রং : শরীরে অক্সিজেনের অভাব হলে জিভের রং পাল্টে গিয়ে নীল বর্ণ হতে থাকে। ডাক্তারি ভাষায় একে সায়ানোসিস বলে। যদি এমনটা দেখেন অবিলম্বে চিকিত্‍সকের কাছে যান। রক্তে সমস্যা, হৃদযন্ত্রের সমস্যার মতো রোগ থাকতে পারে। তাই দেরি করা ঠিক নয়।
৫) কালো রং: সাধারণ কারও কারও জন্ম থেকেই এ রকম রং থাকতে পারে। তবে যদি হঠাত্‍ কালো রং দেখেন তা হলে বুঝবেন এক সঙ্গে বিপুল পরিমাণ ব্যাক্টেরিয়া জমা হয়েছে জিভে। তবে শুরু থেকেই এমনটা হবে না, প্রথমে হলুদ, তার পরে ব্রাউন, তার পর কালো রং হবে।
৬) হলুদ রং : জিভের রং সাধারণ এমন হয় না। যখন হবে, তখন বুঝবেন লিবারে বড় সংস্যা রয়েছে। সম্ভবত জন্ডিস হয়ে গিয়েছে। দেরি না করে ডাক্তারের পরাম৪শ নিন।
৭) পার্পল রং : দীর্ঘ দিন ধরে শরীরে কোনও সমস্যা থাকলে জিভের রং পার্পল হতে শুরু করেন। এটার অর্থ শরীরে ভিটামিন B-এর ভীষণ ঘাটতি রয়েছে। মনে রাখবেন, শরীরে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হল জিভ। তবে আমরা অনেকেই এর খেয়াল রাখি না। প্রতিদিন জিভ পরিষ্কার রাখলে অনেক রোগের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। রোজ সকালে দাঁত মাজার সময়ই জিভ ভালো করে পরিষ্কার করে নিন। সুস্থ থাকবেন।


রাতে বিয়ে সকালে স্ত্রীকে তালাক, কিন্তু কেন? কারণ জানলে অবাক হয়ে যাবেন!


বিয়ের ঘণ্টা বেজেছে। চারদিকে সাজ সাজ রব, আলোর ঝলকানি। বরযাত্রী এসেছেন কনের বাড়িতে। সব আনুষ্ঠানিকতার পাশাপাশি বর-কনের কবুল বলাও শেষ। এবার বরের সঙ্গে কনে যাবেন শ্বশুরবাড়ি। সাজানো বাসরে স্বামী-স্ত্রী প্রথমবারের মতো দেখবেন একে অপরকে। কিন্তু তা আর হলো না।

ভালো করে স্ত্রীর মুখ দেখার আগেই বিয়েবাড়িতে কনেকে তালাক দিয়ে ফিরে গেলেন বর! ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তর প্রদেশের বিজনৌর জেলার কারোন্ডা পাচদু গ্রামে। গতকাল মঙ্গলবার টাইমস অব ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, বিয়েবাড়ি থেকে কনে পক্ষের অর্থ ও সোনা চুরি হয়।
কনে পক্ষ সন্দেহের তির ছুড়ে দেয় বর পক্ষের দিকে। সারা রাত বর কারি ইমরান ও তাঁর বাবাকে বেঁধে রাখা হয়। এতে অপমানিত ও ক্ষুব্ধ হয়ে সকালে তালাক দিয়ে ফিরে যান বর।
স্থানীয় লোকজনের ভাষ্য, গত সোমবার রাতে চাঁদপুরন গ্রাম থেকে বিয়ে করার জন্য বর ইমরান বরযাত্রী নিয়ে পাচদু গ্রামে আসেন।
বিয়েও হয়ে যায় বর-কনের। বিয়ের পরপরই কনে পক্ষ অভিযোগ তোলে, আসর থেকে তাদের ১ লাখ ৪৫ হাজার রুপি ও বেশ কিছু গয়না চুরি হয়েছে।
কনের বাবা নাসির আহমেদের দাবি, বরের ভাগনে আকিব ও একজন নারী এই অর্থ ও গয়না চুরি করেছেন। এ নিয়ে দুই পক্ষের বাগ্‌বিতণ্ডা হয়।
একপর্যায়ে অর্থ ও গয়না ফেরত দিতে তাঁরা বর ইমরান ও তাঁর বাবাকে বিয়ের পর সারা রাত বেঁধে রাখেন।
বিষয়টি পুলিশে জানালে, সকালে পুলিশ কনের বাড়ি গিয়ে বর ও তাঁর বাবাকে মুক্ত করে। এ ঘটনার পর আর এক মুহূর্তও দেরি না করে রাতে বিয়ে করা স্ত্রীকে সকালেই তালাক দেন স্বামী ইমরান।
কারি ইমরান বলেন, বিয়ের রাতে এই বিষয়টির জন্য তিনি বেশ অপমানিত বোধ করেন। তিনি বলেন, ‘বিচ্ছেদের জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। এরপরও আমাকে বাধ্য হয়ে সদ্যবিবাহিত স্ত্রীকে তালাক দিতে হয়েছে।’
কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক শিব কুমার গৌড় বলেন, দুই পক্ষকেই থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। কোনো পক্ষই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করেনি। এরপরও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।


এ বছর সবচেয়ে কষ্টের দিন ১৬ জানুয়ারি, জেনে নিন কেন?


বছরের সব ক’টা দিন এক রকম কাটে না। কোনো একটা দিন খুব আনন্দে-উচ্ছ্বাসে কাটল, তো পরের দিনটাই কোনো কারণে মনমরা অবস্থায় কেটে গেল।

কিন্তু ২০১৭ সালের ১৬ জানুয়ারি দিনটি নাকি সব দিক দিয়েই বছরের সব চেয়ে দুঃখের দিন হতে চলেছে। এমনটাই মত প্রখ্যাত লাইফ কোচ এবং হ্যাপিনেস কনসালট্যান্ট ক্লিফ আরনল-এর।
প্রত্যেক বছরই সবচেয়ে মন খারাপ করা দিনটিকে চিহ্নিত করেন সুখ-বিশেষজ্ঞরা। এই দিনটির পোশাকি নাম ‘ব্লু মানডে’।
‘মানডে’, কারণ বছরের সবচেয়ে দুঃখের দিনটি অবধারিত ভাবেই একটি সোমবার হয়। এ বছরের সর্বাধিক দুঃখের দিন ১৬ জানুয়ারি তেমনই একটি সোমবার। আরনল বলছেন,
১৬ জানুয়ারি ভয়ানক মন খারাপ হওয়ার অনেকগুলি কারণ রয়েছে। কী সেগুলি? জেনে নিন:-
১. ১৬ জানুয়ারি একটি সোমবার। সাধারণ ভাবে উইকেন্ডে ছুটি উপভোগ করার পর আবার যখন সোমবার নতুন করে কাজে যেতে হয়, তখন মন খারাপ হয়ই।
২. মাসের মাঝামাঝি সময়টাও আর্থিক কারণে একটু মানসিক চাপ যায় মানুষের। শুরুর দিকটায় স্বচ্ছলতা থাকে। সেই স্বচ্ছলতা মাস এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে কমতে শুরু করে। মাসের মাঝামাঝি নাগাদ, এই দুশ্চিন্তা মানুষকে গ্রাস করে যে, বাকি মাসটা ঠিকঠাক চলবে তো!
৩. পৃথিবীর একটা বড় অংশে এই সময়টায় শীতকাল। মরা রোদ্দুর এবং হিমেল বাতাস মানুষের মনকে অবসাদগ্রস্ত করে তোলে বলে মনে করেন মনস্তাত্ত্বিকরা।
৪. নতুন বছরে অনেক কিছু নতুন করে করবেন বলে ভেবেছিলেন। কিন্তু আদপে সেই সমস্ত প্রতিজ্ঞার প্রায় কোনোটিই যে রক্ষা করা আপনার দ্বারা হয়ে উঠবে না, তা বছরের প্রথম দুই হপ্তার মধ্যেই আপনি বুঝে গিয়েছেন। সেই নিয়ে একটা মন খারাপ ভাব থাকবেই।
৫. নতুন বছর উপলক্ষে অনেক হই হুল্লোড় করেছিলেন। কিন্তু তার পর থেকে একেবারে সাদামাটা জীবন কাটছে আপনার। সেই নিয়েও একটা খারাপ লাগা কাজ করছে আপনার ভেতরে।
তাহলে আর কী, নিজেকে প্রস্তুত রাখুন আগামী ১৬ জানুয়ারির জন্য। সেই দিনটা সত্যিই হয়তো খুব মন খারাপের মধ্যে কাটতে পারে আপনার।-এবেলা